Welcome to Kids Playbook!
৫ মাস বয়সী, ৪ সপ্তাহ
৫ মাস বয়সী, চতুর্থ সপ্তাহ
কিভাবে আপনার শিশু বেড়ে উঠছে
আপনার শিশু এখন আপনার মতোই সবকিছু উপলব্ধি
করছে। তার যোগাযোগের দক্ষতাগুলো দ্রুত উন্নত হচ্ছে যা তার চিত্তবিনোদন, ভিন্ন
সুরের শব্দ এবং সুরের পরিবর্তন দ্বারা প্রমাণিত। সে তার কথা দিয়ে তার মনোভাব বা
কোন জিনিসের প্রতি প্রতিক্রিয়া প্রদর্শন করতে পারে, যেমন সুখ, আকাঙ্ক্ষা এমনকি
সন্তুষ্টি বিশেষ করে যখন তার কোন সমস্যা দূর হয়।
এই বয়সে, প্রায় অর্ধেক শিশুরা বার বার একই
ধরণের শব্দগুলো পুনরাবৃত্তি করে যেমন “বা”, “মা” বা “গা”। কেউ কেউ আরও ভিন্নভাবে
আরও কিছু শব্দভাণ্ডার যোগ করে আরও জটিল করে তুলে।
শিশুর কথাগুলো অনুকরণ করে তার সাথে খেলা
করতে পারেন (যেমন ভেড়ার “বাআ!” শব্দ করে)। অথবা, আপনি যখন তার শব্দভাণ্ডার বুঝতে
পারবেন না তখন তাকে কোন উৎসাহী উত্তর দিবেন যেন সে কথোপকথন চালিয়ে যেতে উৎসাহিত
হয়।
কিভাবে আপনার জীবন পরিবর্তিত হচ্ছে
কিভাবে যথেষ্ট ঘুমাতে পারেন তা নিয়ে চিন্তিত?
যেহেতু ঘুমের সমস্যা সার্বজনীন তাই দিনের সকল কাজ শেষ করতে আপনার পক্ষে কঠিন হতে
পারে। আপনার সহকর্মীদের মধ্যে যাদের সন্তান আছে তাঁরা এই বিষয়টি বুঝতে পারবেন।
আপনার কিছু পরামর্শের প্রয়জনঃ
1.
শিশুর যথেষ্ট ঘুমঃ
এই বয়সে অধিকাংশ শিশু রাতে ঘুমাতে সক্ষম। যদি আপনার শিশু ঘুমাতে না পারে, তাহলে
ঘুমের প্রশিক্ষণ পদ্ধতির দিকে নজর দিন। যেসব করলে শিশুদের ঘুমাতে সাহায্য করে তা
নিয়ে লেখা আমাদের প্রবন্ধগুলোর দিকে নজর দিন।
2.
আপনার
পর্যাপ্ত ঘুমঃ
·
আপনার
কর্মস্থলে কাজের ফাঁকে ঘুমানোর চেষ্টা করুন।
·
দৈনন্দিন কিছু
কাজ অল্পতে শেষ করুন যাতে করে অধিক বিরতি পান
·
তাড়াতাড়ি
ঘুমিয়ে যান এবং আপনার স্বামীকে সন্ধ্যায় শিশুকে বিছানায় দিয়ে আসতে অনুরোধ করুন।
·
একটি
সঙ্গতিপূর্ণ ঘুমের রুটিন মেনে চলুন- প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যান ও জেগে উঠুন।
3.
আপনার যেন ভাল
ঘুম হয় তা নিশ্চিত করুন
·
যদি ঘুমের
বিশেষ সমস্যা হয় তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। মাঝে মাঝে কিছু রাত বিশ্রাম
প্রবর্তন করা ও ঘুমের চক্র ঠিক করতে পরামর্শের প্রয়োজন হয়।
·
আপনার শয়নকক্ষ
ভালভাবে ঘুছিয়ে রাখুন। আপনার গদি বা বালিশ যেন আরামদায়ক হয় তা নিশ্চিত করুন। কক্ষের
আলো, তাপমাত্রা ও আওয়াজ আপনার পছন্দ অনুসারে সমন্বয় করুন। টিভি কক্ষের বাইরে রাখুন
এবং রেডিওর শব্দ কমিয়ে রাখুন।
·
ঘুমানোর আগে
বিছানায় কিছুক্ষণ আরাম করুন যেন আরও তাড়াতাড়ি ও ভালভাবে ঘুম হয় যেমন উষ্ণ দুধ পান,
যোগব্যায়াম অনুশীলন, পেশির বিশ্রাম, গভীর শ্বাস ও অঙ্গমর্দন এসব করতে পারেন।
·
অন্যান্য
উপায়েও নিজের যত্ন নিন। পুষ্টিকর ও হাল্কা খাবার খান, ক্যাফেইন ত্যাগ করুন এবং
নিয়মিত ব্যায়াম করুন। সবচেয়ে কঠিন কাজগুলো দিনের শুরুতেই শেষ করে নিতে চেষ্টা
করুন।
শিশুর ভারী খাবারে রুপান্তর
স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের মতে, আপনার শিশুকে ছয় মাস
বয়স পর্যন্ত বুকের দুধ দেওয়া উচিৎ। কিন্তু পরের ছয় মাসে কেবল বুকের দুধই শিশুর
শরীরের সকল পুষ্টি পূরণ করতে পারে না তাই শিশুর ভারী খাবারের প্রয়োজন হয়।